দেশে ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন সৌদি আরবপ্রবাসী এমরান হোসেন রনি (২৮)। আগামী নভেম্বরেই তার দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সেই ফেরা আর হলো না। শনিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে সৌদি আরবের তাবুকের কিং ফাহাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।
এমরান হোসেন রনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঝাটিয়ারখিল মধ্যমপাড়া গ্রামের মরহুম আব্দুল বারিক ও সালেহা বেগমের ছেলে। নয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন অষ্টম। জীবিকার তাগিদে ২০২১ সালের শেষ দিকে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। সেখানে তাবুকে এয়ারকন্ডিশনিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।
মৃতের সেজো ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, হঠাৎ এমরানের বুকে ব্যথা শুরু হলে দ্রুত তাকে কিং ফাহাদ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার হৃদ্যন্ত্রে ব্লক শনাক্ত করেন। লেজার পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে আইসিইউতে রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
ভাইয়ের অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বড় ভাই হারুন অর রশিদ বলেন, “আমার ভাই খুব ভালো ছিল। কখনো আমাদের কথার বাইরে ছিল না। ভাইয়ের মৃত্যু আমাদের খুব কষ্ট দিচ্ছে।”
যে নভেম্বর মাসে পরিবারের কাছে হাসিমুখে ফিরে আসার কথা ছিল এমরানের, সেই নভেম্বর এখন তার পরিবারের কাছে শুধুই শোকের মাসে পরিণত হয়েছে। চার বছর আগে স্বপ্ন নিয়ে প্রবাসে পাড়ি জমানো এই যুবক এখন নিথর দেহ হয়ে দেশে ফেরার অপেক্ষায়।
সালাউদ্দিন/সাএ


