Homeসর্বশেষচূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

Published on

spot_img

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ী জেলার ১০ জন প্রার্থী। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে নিয়োগপত্র পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন জেলার নিয়োগের আদেশ জারি হওয়ার পর রাজবাড়ীর নিয়োগের তালিকায় নিজেদের নাম খুঁজে পাননি এসব প্রার্থী।

তবে, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্যের গুঞ্জন উঠেছে। এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীতে ৪৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। রাজবাড়ীতে ৪৮১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ২৭৯টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। এখন পর্যন্ত নিয়োগযোগ্য সহকারী শিক্ষকের শূণ্য পদ রয়েছে ১০১টি।

জেলায় সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য মোট ৮৪ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তাঁদের মধ্যে ৬ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি। বাকি ৭৮ জনের মধ্যে ৬৮ জনের নিয়োগের বিষয়ে আদেশ জারি হলেও ১০ জনের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা না পাওয়ায় তাঁদের নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় রাজবাড়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ওয়েব পোর্টালে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের আদেশ জারি করে। ওই আদেশে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নাম-পরিচয়সহ বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়। তবে চূড়ান্ত ফলাফলে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও ১০ জনের নিয়োগপত্র আটকে থাকার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।

নিয়োগপত্র না পাওয়ার কারণ জানতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে চাননি।

রাজবাড়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তবিবুর রহমান বলেন, ৮৪ জনের মধ্যে ৬ জন কাগজপত্র জমা দেননি। বাকি ১০ জনের সন্তোষজনক প্রতিবেদন আসেনি।

এদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নেতিবাচক কোনো তথ্য পাওয়া গেলে নিয়োগ আটকে থাকতে পারে। তবে রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থীর ক্ষেত্রে এমন কোনো তথ্য পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে নিয়োগপত্র না পাওয়ার প্রকৃত কারণ নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা বিষয়টির স্পষ্ট ব্যাখ্যা এবং দ্রুত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। মৌখিক পরীক্ষা শেষে ফেব্রুয়ারি মাসে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়।



বাপ্পি/সা.এ

Latest articles

মোরেলগঞ্জে সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার’...

দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র...

পরমাণু কর্মসূচিতে কোনো ছাড় দেবে না ইরান

ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির এক...

তেল গ্যাসের সংকট শেষ, এখন কি নিয়ে আন্দোলন করবেন: বিদ্যুৎ মন্ত্রী 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারনে তেলের...

More like this

মোরেলগঞ্জে সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার’...

দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র...

পরমাণু কর্মসূচিতে কোনো ছাড় দেবে না ইরান

ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির এক...