হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে একটি মশাল মিছিল অনুষ্টিত হয়।
শহর থেকে প্রায় ৩ কি:মি: দুরে তারণগাঁও এলাকায় মিছিলটি বের । খবর পেয়ে থানা পুলিশ রাতেই অভিযান পরিচালনা করে ৫ জন’কে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদেরকে শুক্রবার বিকালে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা শতাধিক লোকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে।
পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে নবীগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৩ কি: মি: দুরে তারণগাওঁ এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের একদল নেতাকর্মী জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর উদ্দেশ্যে একটি ঝটিকা মশাল মিছিল বের করে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় নবীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা বেশ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে একটি এজাহার দায়ের করেন। পরবর্তীতে নবীগঞ্জ থানার মামলা নং-২০, তারিখ: ১৮/০৯/২০২৬ খ্রিঃ, সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধনী/২০১৩) এর ৯(৩)/১০/১১/১২/১৩ ধারা মোতাবেক একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন পৌর এলাকার গয়াহরি গ্রামের রথীন্দ্র দাসের পুত্র অমিত দাস( ২২) জিতেন্দ্র চন্দ্র দাসের পুত্র বিজয় দাস (২২), করগাওঁ ইউনিয়নের তারণগাওঁ গ্রামের বিধান দাসের পুত্র পিটু দাস সম্রাট ( ২৪), সাধন দাসের পুত্র উজ্জ্বল দাস ( ৩২), মৃত রথিশ দাসের পুত্র রাজিব দাস (২৩)।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন জানান, “নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো তৎপরতা দমন ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিকে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মিছিলের সাথে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
বাপ্পি/সা.এ


