বুধবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক ভারত। এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ।
ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত এবারের আসরটি সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের অষ্টম সংস্করণ। সর্বশেষ দুই আসরে নেপালকে হারিয়ে টানা দুইবার শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবারও হ্যাটট্রিক শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে পিটার বাটলারের দল।
তবে গ্রুপ পর্বেই ভারতের কাছে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়ে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরে যায় তারা। অবশ্য গ্রুপের অন্য দল মালদ্বীপ তিন ম্যাচেই পরাজিত হওয়ায় ভারত ও বাংলাদেশের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়।
সেমিফাইনালে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নেপালের বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ২-১ গোলের জয় তুলে নেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেই জয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভুটানের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয় ভারতকে। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে সানফিদা ননগ্রুমের করা একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।
এর আগে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম পাঁচ আসরেই শিরোপা জিতেছিল ভারত। ২০১৬ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষেও ফাইনালে জয় পেয়েছিল তারা। সেবার বাংলাদেশকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।
ফলে এক দশক পর আবারও সাফের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। এবার অবশ্য বাংলাদেশ টানা তৃতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে, আর ভারত ঘরের মাঠে হারানো শিরোপা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নামবে।
আগামী ৬ জুন জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ-ভারতের বহু প্রতীক্ষিত ফাইনাল। ২০১৬ সালের ফাইনালের পুনরাবৃত্তি হতে যাওয়া এই ম্যাচে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে কে শেষ হাসি হাসবে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।
বাপ্পি/সা.এ


