জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ। সবুজায়ন, জলজ প্রাণীর বৈচিত্র্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক পরিবেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় দুই হাজার মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পুকুর ও লেকে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর আগে গত ২ অক্টোবর একই ক্যাম্পাসে জাফর আহমেদের উদ্যোগে দুই শতাধিক ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছিল।
কর্মসূচিতে পুকুরে রুই ও তেলাপিয়া এবং লেকে শিং, মাগুর, রুই ও কৈসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা ছাড়া হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যাম্পাসের জলজ সম্পদের বিকাশের পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ বলেন, ‘আমরা চাই, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস কেবল ভবন ও অবকাঠামোয় নয়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যেও সমৃদ্ধ হোক। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলজ প্রাণীর আবাসস্থল সমৃদ্ধ করার চিন্তা থেকেই মাছের পোনা অবমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের সবুজায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণমূলক উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমরা নিজেদের অবস্থান থেকে কাজ করতে চাই। পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু প্রশাসন বা নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের নয়; শিক্ষার্থীসহ সবারই এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রয়েছে। জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পাশাপাশি সেগুলোর উপযুক্ত পরিবেশ রক্ষা করাও জরুরি।’
জাফর আহমেদ আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বাড়বে বলে তিনি আশা করেন। ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ, জলজ প্রাণীর সংরক্ষণ ও অন্যান্য পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম চালু রাখা গেলে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসকে সবুজ ও জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।
উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের পর মাছের পোনা অবমুক্ত করার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাপ্পি/সা.এ


