সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লিখিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস।
নীতিমালার ২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুসরণ করে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছর বা তার বেশি হওয়া নিশ্চিত করতে হবে। তবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীর বয়স সর্বনিম্ন পাঁচ বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছরের মধ্যে থাকতে পারবে।
বয়স যাচাইয়ের জন্য ভর্তির আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত অনুলিপি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সসীমায় সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের অতিরিক্ত ছাড় দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
কোন শ্রেণিতে ভর্তির বয়স কত?
নতুন নীতিমালায় প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির জন্য নির্দিষ্ট বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। শ্রেণিভিত্তিক বয়সসীমা হলো—
প্রথম শ্রেণি: ৫ থেকে ৭ বছর
দ্বিতীয় শ্রেণি: ৬ থেকে ৮ বছর
তৃতীয় শ্রেণি: ৭ থেকে ৯ বছর
চতুর্থ শ্রেণি: ৮ থেকে ১০ বছর
পঞ্চম শ্রেণি: ৯ থেকে ১১ বছর
ষষ্ঠ শ্রেণি: ১০ থেকে ১২ বছর
সপ্তম শ্রেণি: ১১ থেকে ১৩ বছর
অষ্টম শ্রেণি: ১২ থেকে ১৪ বছর
নবম শ্রেণি: ১৩ থেকে ১৫ বছর
প্রতি শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ শিক্ষার্থী
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত আসন খালি থাকা সাপেক্ষে এ নীতিমালার আওতায় শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।
এ ছাড়া শিক্ষার পরিবেশ ও গুণগত মান বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রতিটি শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কুশল/সাএ


