ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত করে প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারে নিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশের অন্যতম প্রধান এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়; রাজনীতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) বঙ্গভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয় না। নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধীরে ধীরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়। এ জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন যেমন প্রয়োজন, তেমনি বিরোধী দল ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের জন্যও পর্যাপ্ত সুযোগ রাখা জরুরি। তাঁর মতে, প্রতিপক্ষের মতপ্রকাশের সুযোগ থাকাই গণতন্ত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
সাক্ষাতে উপাচার্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান একাডেমিক কার্যক্রম ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
পরে উপাচার্য আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে আচার্য হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন।
বাপ্পি/সা.এ


