প্রথম দুই ম্যাচে হেরেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর গতকাল এশিয়ান কাপের গ্রুপপর্বের নিয়মরক্ষার ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে বড় ব্যবধানে হারে লাল-সবুজের দল। এমন হতাশাজনক ফলের পর সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় এসেছে জাতীয় দলের দুই ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রের একটি নাইটক্লাবের ছবি।
ছবিটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হওয়ার পর সাদ উদ্দিনের ইন্দোনেশিয়ান বন্ধু এলেনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্ট দেন। এর একদিন পর ছবিটি নিয়ে নতুন করে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। সাদ নিজেও জানিয়েছেন, তাঁর অনুরোধেই এলেনা নতুন পোস্টটি করেছেন।
নতুন পোস্টে এলেনা লিখেছেন, ছবি ও ভিডিওগুলো আসলে প্রায় দুই মাস আগের নেপাল সফরের। সেখানে তিনি তাঁর ‘পেশাদার ও প্রকৃত বন্ধুদের’ সঙ্গে দেখা করেছিলেন।
দেরিতে ছবি প্রকাশের কারণও ব্যাখ্যা করেছেন এলেনা। তিনি বলেন, তাঁর পোস্টে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকলে তিনি দুঃখিত। সাধারণত ভ্রমণের সময় সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট না করে পরে ছবি প্রকাশ করেন, কারণ ভ্রমণের সময়টুকু তিনি উপভোগ করতে চান।
তবে ছবিটি সত্যিই নেপালের নাকি জাকার্তার কোনো ক্লাবের—তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা থাকলেও এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, এক নারীর কাঁধে সাদ উদ্দিনের হাত এবং সামনে পানীয় রয়েছে। এ নিয়েই মূলত শুরু হয় সমালোচনা। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মাঠের বাইরের আচরণ নিয়েও ভক্তদের প্রত্যাশা থাকে। বিশেষ করে তরুণদের কাছে তারকারা অনুসরণীয় হওয়ায় তাদের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডও অনেক সময় আলোচনায় আসে।
জাকার্তা বিমানবন্দর থেকে বিষয়টি নিয়ে সাদ উদ্দিন বলেন, ছবিটি জাকার্তার নয়, নেপালের। প্রায় এক মাস আগে বিষয়টি পরিষ্কার করার জন্যই তিনি ওই নারীকে পোস্ট করতে বলেছিলেন।
সাদ বলেন, ‘ওই জায়গায় যাওয়া ঠিক হয়নি। তবে আমাদের ব্যক্তিগত জীবন ও বন্ধু থাকতে পারে, পেশাদার ফুটবলের বাইরেও।’
সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়র—দুজনই বাংলাদেশ জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ফুটবলার। ফলে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরের কর্মকাণ্ড নিয়েও তাদের ঘিরে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ ও আলোচনা।
বাপ্পি/সা.এ


