জনপ্রতিনিধি শূন্য হয়ে পড়া বরগুনার ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব সামলাবেন সরকারি কর্মকর্তারা। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এসব ইউনিয়নে প্রশাসক হিসেবে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখার উপসচিব বিষ্ণুপদ পাল স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ১৮ ধারা অনুযায়ী দাপ্তরিক কার্যক্রম সচল রাখতেই এ নিয়োগ।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত ১৮ আগস্ট বরগুনার মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়নগুলোর তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। যাচাই-বাছাই শেষে দুটি ইউনিয়ন — বরগুনা সদরের এম বালিয়াতলী ও আমতলী সদর ইউনিয়নের মেয়াদ বহাল থাকায় সেখানে প্রশাসক দেওয়া হয়নি। বাকি ১৫টিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বরগুনা সদর (৯টি): বদরখালীতে মারুফ হোসেন মিনার (সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা), গৌরীচন্নায় মো. এমাদুল হক (সমবায়), ফুলঝুড়িতে ডা. বিথী দেবনাথ (প্রাণিসম্পদ), কেওড়াবুনিয়ায় মো. নিয়াজ মাখদুম (পরিবার পরিকল্পনা), আয়লাপাতাকাটায় লায়লা জেরিনা আক্তার (প্রাথমিক শিক্ষা), বুড়িরচরে মো. হেমায়েত উদ্দীন (সমাজসেবা), ঢলুয়ায় মো. সাখাওয়াত হোসেন (কৃষি), বরগুনা ইউনিয়নে মো. ফাইজুল হক আরিফ (আইসিটি) এবং নলটোনায় দোলা মল্লিক (জনস্বাস্থ্য)।
আমতলী (৬টি): গুলিশাখালীতে মো. ইদ্রিস আলী (এলজিইডি), কুকুয়ায় মো. আজাদুর রহমান (সমবায়), আঠারগাছিয়ায় মো. ফিরোজ আলম (পল্লী উন্নয়ন), হলদিয়ায় মো. মনিরুল হক (বন), চাওড়ায় মো. রফিকুল ইসলাম (সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা) এবং আড়পাঙ্গাশিয়ায় মো. রাসেল (কৃষি)।
প্রজ্ঞাপনের শর্ত অনুযায়ী, তারা দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এর মধ্যে নির্বাচন সম্ভব না হলে কারণ উল্লেখ করে সরকারের অনুমতি নিতে হবে।
বাপ্পি/সা.এ


