রাশিয়ার আমুর অঞ্চলে একটি নির্মাণাধীন গ্যাস কেমিক্যাল প্রকল্পে পাইপলাইন পরীক্ষার সময় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৩৫ জন বাংলাদেশী শ্রমিক আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া দুই বাংলাদেশীর মধ্যে ৩ জনই রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার বাসিন্দা ছিল,একজনের নাম মনির, অপরজন আব্দুল কুদ্দুস ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু ।
৩ জনের মধ্যে শফিকুল ইসলাম সেন্টু ও আব্দুল কদ্দুস মারা গিয়েছে।
নিহত আব্দুল কুদ্দুস ও শফিকুল ইসলামের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতম, আব্দুল কুদ্দুস পাংশা উপজেলার যশাই ইউনিয়নের ধোঁপাকেল্লা গ্রামের মৃত মোমিন মোল্লার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের রাককোল বাহাদুরপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম সেন্টুর লাশ গ্রামের বাড়ীতে আনা হয়।
বিকাল ৪ টায় স্থানীয় ঈদগা মাঠে জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হয়, নিহত শফিকুল ইসলাম সেন্টুর মাত্র ১ বছর আগে জিবিকার তাগিদে রাশিয়া পাড়ি দিয়েছিলেন সেখানে সিনোপেক প্ল্যান্ট নামক কোম্পানিতে কাজ করছিলেন। একটু ভাল থাকবার আশায় পারি দিয়েছিলেন প্রবাসে।
এদিকে আব্দুল কুদ্দুসের লাশ এখনো দেশে আসেনি পরিবারের দাবী যে কোন উপায়ে বাংলাদেশ সরকার যেন তাদের সন্তানের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। কুদ্দুসের বৃদ্ধ মায়ের আহাজারীতে আকাশ বাতাস ভাড়ী হয়ে উঠেছে।
অপর দিকে রাজবাড়ীর পাংশা পৌরসভাধীন চরমোদিপুর গ্রামের অপর নিখোঁজ থাকা মনিরুল ইসলামের পরিবার জানান মনিরুল ফকির নিখোজ ছিলো। এখন তার সন্ধান পওয়া গেছে ঘটনার সাথে সাথে হাসপাতাল নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর ছিলো। এখন উন্নত চিকিৎসার জন্য মস্কো শহরে রয়েছে।
গত ২৫ আগস্ট এজিসিসি নামক প্রকল্পের সিনোপেক প্ল্যান্টের একটি সংযোগ স্থানে প্রাথমিক গ্যাস সরবরাহ পরীক্ষার সময় পাইপ ফেটে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই তা বিকট বিস্ফোরণে রূপ নিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
বাপ্পি/সা.এ


