Homeসর্বশেষবিশ্ব খাদ্য দিবস: পৃথিবীতে খাবার আছে, তবু ক্ষুধার্ত কোটি কোটি মানুষ

বিশ্ব খাদ্য দিবস: পৃথিবীতে খাবার আছে, তবু ক্ষুধার্ত কোটি কোটি মানুষ

Published on

spot_img

পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদন হচ্ছে, কৃষকেরা মাঠে ফসল ফলাচ্ছেন, বাজারে সাজানো হচ্ছে নানা রকমের খাবার। অথচ এই পৃথিবীতেই কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন পর্যাপ্ত খাবার জোগাড় করতে পারেন না। কেউ ক্ষুধা নিয়ে রাত কাটান, কেউ খাবারের পরিমাণ কমিয়ে দেন, আবার কেউ পেট ভরাতে পারলেও প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত থাকেন। অর্থাৎ, খাদ্যসংকটের চ্যালেঞ্জ শুধু খাবারের উৎপাদন বাড়ানো নয়; বরং সবার জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও সাশ্রয়ী খাবার নিশ্চিত করা।

এই বাস্তবতায় প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব খাদ্য দিবস (World Food Day)। ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলা, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরাই দিবসটির মূল লক্ষ্য। ২০২৬ সালে দিবসটির প্রতিপাদ্য, “Innovate today. Nourish tomorrow.”—বাংলায় যার ভাবার্থ, ‘আজ উদ্ভাবন, আগামী দিনের পুষ্টি’।

প্রতিপাদ্যটি মনে করিয়ে দেয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পর্যাপ্ত খাবার নিশ্চিত করতে হলে আজই কৃষি, খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বণ্টনব্যবস্থায় কার্যকর পরিবর্তন আনতে হবে।

বিশ্ব খাদ্য দিবসের ইতিহাস জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সঙ্গে জড়িত। ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় Food and Agriculture Organization (FAO)। বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা দূর করা, পুষ্টির উন্নয়ন এবং কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থার অগ্রগতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করাই সংস্থাটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

পরবর্তী সময়ে ১৯৭৯ সালে এফএওর সম্মেলনে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৯৮১ সাল থেকে দিবসটি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্রতিপাদ্য নিয়ে পালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে বিশ্বের বহু দেশে সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, কৃষক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

দিবসটির তাৎপর্য শুধু ক্ষুধার্ত মানুষের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া নয়; বরং ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণ চিহ্নিত করে সেগুলো দূর করতে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের করণীয় নির্ধারণ করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

ক্ষুধার বৈশ্বিক চিত্র: কত মানুষ খাদ্যসংকটে?

ক্ষুধা ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে বৈশ্বিক অগ্রগতি হলেও সমস্যাটি এখনো গভীর। জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থার যৌথভাবে প্রকাশিত The State of Food Security and Nutrition in the World 2026 প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে আনুমানিক ৬৪ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ক্ষুধার মুখে ছিলেন, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সময়ে প্রায় ২১০ কোটি মানুষ মাঝারি থেকে গুরুতর খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ছিলেন। অর্থাৎ, তাঁদের অনেকেই পর্যাপ্ত খাবার পাওয়া, খাবারের মান বজায় রাখা কিংবা নিয়মিত খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়েছেন।

ছবি: সংগৃহীত

এ সংকটের আরেকটি উদ্বেগজনক দিক হলো, পেট ভরানোর মতো খাবার পেলেই পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয় না। শরীর সুস্থ রাখতে শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের সুষম সমন্বয় প্রয়োজন। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে বহু পরিবার মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ফলমূল ও শাকসবজির মতো পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত কিনতে পারে না।

২০২৬ সালের বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টিবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে প্রায় ২৭০ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ্য থেকে বঞ্চিত। ফলে ক্ষুধার পাশাপাশি অপুষ্টি, শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া এবং বিভিন্ন পুষ্টিঘাটতিজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিও বড় উদ্বেগ হয়ে রয়েছে।

কেন বাড়ছে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা?

খাদ্যসংকটের পেছনে একাধিক কারণ কাজ করে। দারিদ্র্য, আয়বৈষম্য, খাদ্যের উচ্চমূল্য, যুদ্ধ ও সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ এর অন্যতম।

যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে কৃষিজমি অনাবাদি হয়ে পড়তে পারে, কৃষকেরা উৎপাদন থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারেন এবং খাদ্য পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। অন্যদিকে, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ফসলের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে গেলে উৎপাদন খরচ বাড়ে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত বাজারের খাদ্যমূল্যে পড়ে।

আবার কোনো দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদিত হলেও দরিদ্র মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কম থাকলে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। বাজারে খাবার থাকা আর সবার সেই খাবার কেনার সামর্থ্য থাকা এক বিষয় নয়। তাই খাদ্যনিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ন্যায্য আয়, বাজার তদারকি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি।

বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা: অর্জন ও চ্যালেঞ্জ

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ধান, মাছ ও মাংস উৎপাদনে দেশের সক্ষমতা বেড়েছে। তবে খাদ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেই প্রতিটি মানুষের জন্য সুষম ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত হয় না।

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশবিষয়ক তথ্য অনুযায়ী, দেশে আনুমানিক ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ, মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক চাপ এবং মানবিক সহায়তার ঘাটতি এ পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে।

বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কৃষিজমি রক্ষা, উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণ, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং খাদ্য সরবরাহব্যবস্থার দক্ষতা বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য চাল, ডাল, তেল, ডিম, মাছ ও সবজির মতো প্রয়োজনীয় খাবার সাশ্রয়ী রাখা জরুরি।

শুধু খাদ্যের পরিমাণ নয়, পুষ্টির দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী নারী, প্রবীণ এবং দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের জন্য সুষম খাবার নিশ্চিত করা জনস্বাস্থ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

খাদ্যের অপচয়: নীরব সংকট

ক্ষুদার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্নিমার চাদঁ যেন ঝলসানো রুটি।
কবি সুকান্তের কবিতার লাইন দুটি যেন বাস্তবতার জ্বলন্ত স্বাক্ষী হয়ে দাড়ায় । বিশ্বে একদিকে মানুষ ক্ষুধার্ত থাকছেন, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট হচ্ছে। উৎপাদন, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে খাদ্য নষ্ট হয়। আবার বাড়ি, রেস্তোরাঁ ও খাবারের দোকানেও অব্যবস্থাপনা এবং অতিরিক্ত খাবার পরিবেশনের কারণে খাবারের অপচয় ঘটে।

ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ইউএনইপির ২০২৪ সালের Food Waste Index Report অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিশ্বে পরিবার, খাদ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে আনুমানিক ১০৫ কোটি টন খাবার নষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে পরিবারগুলো থেকে।

খাদ্যের অপচয় কমানো তাই ক্ষুধা মোকাবিলার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষারও গুরুত্বপূর্ণ উপায়। খাবার উৎপাদনে পানি, জমি, জ্বালানি ও শ্রম ব্যয় হয়। সেই খাবার নষ্ট হলে এসব সম্পদেরও অপচয় ঘটে। পচে যাওয়া খাবার থেকে নির্গত গ্যাস জলবায়ু পরিবর্তনেও ভূমিকা রাখে।

ব্যক্তিপর্যায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার কেনা, রান্না করা এবং অবশিষ্ট খাবার নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। বিয়ে, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা রেস্তোরাঁয় অতিরিক্ত খাবার পরিবেশন না করা এবং নিরাপদ উদ্বৃত্ত খাবার যথাযথ ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ।

ভবিষ্যতের খাদ্যনিরাপত্তায় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। তবে প্রযুক্তি বলতে শুধু আধুনিক যন্ত্রপাতি বোঝায় না; স্থানীয় জ্ঞান, কৃষকের অভিজ্ঞতা এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

কৃষিতে উন্নত সেচব্যবস্থা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, রোগবালাই শনাক্তকরণ, উন্নত বীজ, মাটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং ফসল সংরক্ষণের আধুনিক প্রযুক্তি উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে। জলবায়ু সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন বন্যা, খরা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে।

একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদিত পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছানো, হিমাগার ও সংরক্ষণব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো প্রয়োজন। প্রযুক্তির সুফল যেন শুধু বড় কৃষি উদ্যোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরাও যেন তা ব্যবহার করতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী গড়তে করণীয়

ক্ষুধা দূর করা শুধু সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক সংস্থার একার দায়িত্ব নয়। এ জন্য কৃষক, ব্যবসায়ী, নীতিনির্ধারক, নাগরিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সরকারের দায়িত্ব হলো খাদ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা, দরিদ্র মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো, কৃষকদের সহায়তা দেওয়া এবং দুর্যোগকবলিত মানুষের জন্য কার্যকর সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য, পুষ্টি শিক্ষা এবং খাদ্য সরবরাহব্যবস্থার স্বচ্ছতা বাড়াতে হবে।

কৃষকের ন্যায্য অধিকার ও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষিতে নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি। খাদ্য উৎপাদন ও পুষ্টি বিষয়ে শিশু-কিশোরদের সচেতন করা এবং পরিবারে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলাও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের অংশ।

অন্যদিকে, প্রতিটি মানুষ নিজের অবস্থান থেকে খাবারের অপচয় কমাতে পারেন। স্থানীয় ও মৌসুমি খাবার বেছে নেওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা করা এবং খাবারের পুষ্টিমান সম্পর্কে সচেতন হওয়া ছোট হলেও কার্যকর পদক্ষেপ।

প্রতিপাদ্যের বার্তা: আজকের উদ্যোগেই আগামী দিনের খাদ্য

বিশ্ব খাদ্য দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, খাদ্য শুধু বেঁচে থাকার উপকরণ নয়; এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সুস্বাস্থ্য ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের ভিত্তি। পৃথিবীর কোনো মানুষ যেন দারিদ্র্য, বৈষম্য কিংবা দুর্যোগের কারণে ক্ষুধার্ত না থাকেন—এ লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ।

২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য “Innovate today. Nourish tomorrow.” তাই কেবল প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের আহ্বান নয়; এটি খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে সংরক্ষণ, বণ্টন ও ভোগ পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাকে আরও ন্যায়সংগত ও টেকসই করে তোলার বার্তা।

খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবারকে সবার নাগালের মধ্যে আনা, খাদ্যের অপচয় কমানো, কৃষককে সুরক্ষা দেওয়া এবং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলেই ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী গড়ার পথে এগোনো সম্ভব। আজ খাবারের সঠিক ব্যবহার, ন্যায্য বণ্টন ও টেকসই কৃষিতে যে উদ্যোগ নেওয়া হবে, তা-ই আগামী প্রজন্মের খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা নির্ধারণ করবে।



বাপ্পি/সা.এ

Latest articles

বিরোধীরা ‘বাংলাদেশের আদলে’ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে: রাজনাথ সিং

বাংলাদেশের আদলে ভারতে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে কংগ্রেস ও তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা—এমন অভিযোগ...

কুমিল্লায় দুই পুলিশ সদস্যকে হস্তান্তর করল বিএসএফ

কুমিল্লায় সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নেওয়ার পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির...

মুক্তির প্রথম দিনেই রজনীকান্তের ‘জেলার ২’ এর বাজিমাত

দক্ষিণী সিনেমার মহাতারকা রজনীকান্তের নতুন ছবি ‘জেলার ২’ মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে...

নারী কৃষকের জন্য সুনির্দিষ্ট অভিযোজন অর্থায়নের দাবি

কপ-৩১-এ নতুন প্রতিশ্রুতির চেয়ে বিদ্যমান জলবায়ু প্রতিশ্রুতির কার্যকর বাস্তবায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন...

More like this

বিরোধীরা ‘বাংলাদেশের আদলে’ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে: রাজনাথ সিং

বাংলাদেশের আদলে ভারতে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে কংগ্রেস ও তাদের রাজনৈতিক মিত্ররা—এমন অভিযোগ...

কুমিল্লায় দুই পুলিশ সদস্যকে হস্তান্তর করল বিএসএফ

কুমিল্লায় সীমান্ত থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ধরে নেওয়ার পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির...

মুক্তির প্রথম দিনেই রজনীকান্তের ‘জেলার ২’ এর বাজিমাত

দক্ষিণী সিনেমার মহাতারকা রজনীকান্তের নতুন ছবি ‘জেলার ২’ মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে...