ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনার উদ্যোগের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে তিনটি বিমানবাহী রণতরী ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ইউএসএস রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরীকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠিয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলমান থাকার সময়েই এ ধরনের সামরিক মোতায়েনের খবর সামনে এলো।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপ থেকে তেহরান কখনোই সরে যায়নি। তবে আলোচনার সময়ই ইরানের ওপর তিনবার হামলা চালানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে ইরান নত হবে না। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলার কথা স্বীকার করেছিলেন।
এদিকে, ইরানের রাজধানী তেহরানের কাছে মাঞ্জিলাবাদ এলাকায় বোমা হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে একটি ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর’ ছয় সদস্যকে হত্যা করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ করা হলেও গোষ্ঠীটির পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
অন্যদিকে, গাজায় ধ্বংসস্তূপ থেকে শতাধিক ফিলিস্তিনির মরদেহ উদ্ধারের পর সেখানে আবারও গণদাফন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সাজু/নিএ


