ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে ২৭২ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়লেও ক্রেগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলরের দারুণ জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) আবুধাবিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। তবে শুরুতেই বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদের তোপে পড়ে তারা। মাত্র ২৪ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন। পঞ্চম ওভারে তাঁর দ্বিতীয় শিকার হন বেন কারান। এরপর ওয়ানডে অভিষিক্ত তাফাদজওয়া টিসিগাকেও ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডারে বড় ধাক্কা দেন এই ডানহাতি পেসার।
তবে চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেগ আরভিন। শুরুতে সতর্ক ব্যাটিং করলেও সময়ের সঙ্গে রানের গতি বাড়ান তাঁরা। দুজনের ১৫০ রানের জুটিতে ম্যাচে ফিরে আসে জিম্বাবুয়ে।
দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দুজনই তুলে নেন অর্ধশতক। তবে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত তিন অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি কেউ।
১০১ বলে ৮১ রান করা টেলরকে ফিরিয়ে বিপজ্জনক জুটি ভাঙেন সাইফ হাসান। নিজের পরের ওভারেই জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকেও সাজঘরে পাঠান তিনি।
অন্য প্রান্তে লড়াই চালিয়ে যাওয়া আরভিনও সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছে যান। কিন্তু ১০৬ বলে ৯৩ রান করে শরিফুল ইসলামের বলে আউট হলে তাঁর শতকের স্বপ্ন শেষ হয়।
এর আগে ওয়েসলি মাধেভেরেকে ফিরিয়ে একটি উইকেট তুলে নেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। পরে ব্র্যাড ইভান্সকে আউট করেন শরিফুল।
মাঝের ওভারগুলোতে বড় জুটি গড়লেও শেষ দিকে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রানের গতি কিছুটা কমে যায় জিম্বাবুয়ের। তবে শেষ মুহূর্তে নিউম্যান নিয়ামহুরি ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে আড়াইশ ছাড়িয়ে যায় দলটির সংগ্রহ। দুজনই ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাসকিন আহমেদ। ৪৪ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। এ ছাড়া শরিফুল ইসলাম ও সাইফ হাসান নেন ২টি করে উইকেট। রিশাদ হোসেন পান ১টি উইকেট।
ফলে ত্রিদেশীয় সিরিজে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করতে বাংলাদেশকে ৫০ ওভারে করতে হবে ২৭২ রান।
বাপ্পি/সা.এ


